Indian Bangla Hot Desi 3x Sex Xxx Sex Video Free Download Indian Xxx video 3gp Sex Downloads Menu Very Young Wife RapE .3gp Teen Videos Tamil Actress School Girl 1st Time Aunty Katrina Kaif Mom And Son XXX Pakistani Free Play This Naughty American bhabi Poonam Fucked by Arjun Live MP4 updated MMS new Real Rape Muslim Hot Nurse Iranian Bleeding Village
বুকমার্স করতে ভুলবেন না !চোদা চুদির গল্প
আমি জানভীর আহামেদ।ডাক নাম
একটা আছে পারিবারিক দেওয়া,
রনি।অবশ্য বন্ধুরা আমার নাম
সংক্ষিপ্ত করে রেখেছে।
জানভীরা। আমার বাবা ও
মা গিয়েছেন বড় বোনের বাচ্চা হবে তাই আমেরিকার
লুইজিয়ানাতে। বোনের পরেই
আমি বাবা মায়ের একমাত্র ছেলে ও
দ্বিতীয় সন্তান। থাকবেন
সেখানে তিন থেকে চার মাসের
মত। আমার বাবা মায়ের জন্য স্টেটস এর মাল্টিপল
ভিসা দেওয়া আছে। মুশকিল হল
আমি তখন নটরডেম কলেজ এর
ইন্টারমিডিয়েট সেকেন্ড
ইয়ারে পড়ি। আমার বোর্ড এক্সাম
এর আর মাত্র পাঁচ মাস বাকি আছে। কাজেই এই সময়
যদি বাবা মা না থাকে তাহলে
আমার লেখাপড়ার
বারোটা বাজবে মাথায় রেখে আমার
দেখা শোনার জন্য গ্রাম
থেকে আমার মায়ের চাচাতো বোন শিরিন
খালাকে নিয়ে আসা হয়েছে অনেক
অনুরোধ করে। কারন শিরিন খালার
বিশাল সংসার গ্রামের
বাড়ী করিমগঞ্জে। শিরিন খালার
স্বামী নেই, তিনি প্রায় দশ বছর হলো মারা গিয়েছেন। আসলে আমার
মায়ের তরফেও কোন আপন বোন নেই,
বিধায় আমার মায়ের গ্রামের
কাজিনদেরর সাথে বেশ যোগাযোগ
রাখে বছরে দুই ঈদে তো কিশোরগঞ্জ
যাওয়া হয়ই আর সেই সাথে ক্ষেতের বিশাল কৃষিকাজ এর দেখভাল করার
জন্য বাবা যখন দাদার
বাড়ীতে যেতেন
মাঝে মাঝে মা তখন বাবার
সাথে যেত তখন তারা ইচ্ছামত
আমাদের আত্মীয়স্বজন্দের সাথে যোগাযোগ তৈরী করতেন।তখন
অবশ্য আমাদের ঢাকার বাসায়
কাজের মেয়ে ছিল। কিন্তু গত দুমাস
হলো আমাদের মেয়েটাকে তার
বাবা মা আমাদের জেলা শহর
কিশোরগঞ্জে নিয়ে গিয়েছে বিয়ের জন্যএবং বিয়ে হয়ে গেছে। যতটুকু জানা গেছে মেয়েটি স্বামী সহ
গার্মেন্টস এ কাজ করছে। ঢাকাতেই
কোথায়।
বাবা মা কে এয়ারপোর্টে আমি নিজে
আমাদের টয়োটা প্রিমিও ড্রাইভ
করে নিয়ে গিয়েছিলাম। অনেকটা ভাল লাগবে ঢাকা শহর এই
কারনে মা জোর করে আমাদের
সাথে শিরিন খালাকে এয়ারপোর্ট
পর্যন্ত যেতে বললেন। শিরিন
খালা যে আগে আসেন নি আমাদের
বাসায় তা কিন্তু নয়। আমাদের বাসায় আসলেও মার সাথে আসতেন,
মায়ের সাথে একটু
ঘুরে কেনা কাটা করে আবার ২/১
দিন পরে চলে যেতেন।
আমি খালাকে এগার সিন্দুর
ইন্টারসিটি ট্রেন এ তুলে দিতাম । মা-বাবা বিদায় নেওয়ার সময় খুব
বার বার বলে গেল আমি যেন
গাড়ী নিয়ে বের না হই আর
এটা বেশী করে দেখতে বলে গেল
শিরিন খালাকে। শিরিন
খালা গ্রামের মহিলা লেখা পরা ক্লাস নাইন,
পড়ার সময় খালার বিয়ে হয়ে যায়।
পার্শ্ববর্তী থানা করিমগঞ্জে এক
জোতদার গৃহস্ত পরিবারে। খালু
ছিলেন সেই পরিবারের বড় ছেলে।
কাজেই খালার কতৃত্বই সেখানে প্রধান। খালার আরো চার
পাচজন দেবর ননদ আছেন কিন্তু
তারা একবাক্যে শিরিন খালার
পরামর্শে চলেন। খালার শ্বশুর
নেই, শ্বাশুড়ি আছেন। অনেক বৃদ্ধা,
এবং তিনি সংসারের দায়িত্ব বড় বৌ এর হাতে ছেড়ে দিয়ে যেন
অনেকটা নিশ্চিত, কতটা নিশ্চিত
তার প্রমান হলো খালা আমাদের
বাসায় আসলেই প্রতিদিন
বাড়ী থেকে না হলেও দশ
টি মোবাইল কল শুধু আসবে ক্ষেতের চাষ এর ব্যাপারে, কোন
ক্ষেতে কি হবে। বীজ কয় পাতিল
নিবে। ওই ক্ষেতের
বর্গা কাকে দিতে হবে নাকি
নিজেরা করবেন সব অনুমতি পরামর্শ
উনার কাছ থেকে নেওয়ার জন্য তার দেবর রা ফোন দেন। আবার
বাচ্চাদের লেখাপড়ার খরচ কোন
সিন্দুকে আছে, চাবি কোথায় তাও
শিরিন খালার কাছ
থেকে জেনে নিতে তার
নন্দাইরা ফোন লাগাতো। কেন জানি শিরিন খালা আমাকে খুব আদর
করতেন সেই ছোট বেলা থেকেই।
আমরা তখন খুলনাতে থাকতাম।
বাবা ওয়াপদার এসডিও ছিলেন।
বছরে একবার করে তখন
খুলনা থেকে আমাদের বাড়ীতে আসতাম। আমার দাদার
বাড়ী আর নানার বাড়ীর দুরত্ব আট
কিলোমিটার এর মত। তাই
আমরা অর্ধেক সময় থাকতাম দাদার
বাড়ী আর অর্ধেক নানীর বাড়ী।
আমি ওয়ান অথবা টু তে পড়তাম তখন শিরিন খালার বিয়ে হয়ে গিয়েছে,
খালারও আমার বয়েসী এক
ছেলে আবার আমার চাইতেও পাচ
বছরের বড় আরেক ছেলে আছে।
বিয়ে হওয়া সত্তেও শিরিন
খালা আমার মনে পড়ে সারাদিন আমাদেরকে নিয়ে বনে বাদাড়ে
বিভিন্ন বনফুল,বেতফল
পেড়ে দিত,পাখি প্রজাপতি এসব
দেখাত, খাবার জিনিস যেমন বড়ই
ভর্তা ইত্যাদি বানালে সবার
আগে আমার ভাগেরটা আমাকে দিত তার পরে তার ছেলেদের কে দিত।
আমার মনে হয় এত বড় সংসার
ফেলে তিনি তিন মাসের জন্য
আমাদের বাসায় এসেছেন সেই ছোট
বেলার আদরের টানেই। কজেই
খালাকে কোন প্রকার কষ্ট দেওয়া না হয়
সেকারনে বলেছিলাম-
খালা তুমি কিন্তু আমার জন্য একদম
চিন্ত করবা না।
একবারে রান্না করবা আমি ফ্রিজ
থেকে নিয়ে ওভেনে গরম করে খাব। সকালে যেন কষ্ট করে উঠতে না হয়
তাই বলেছিলাম –
রাতে যা রান্না করে রাখবে তাতেই
আমার হবে। -ধুর
বাবা তাইলে কেমনে হইবো,
সারাদিন তোমার ক্লাস, সকালে গরম কিছু পেট
ভইরা না খাইলে হইবো। শিরিন
খালা তার স্বভাব
সিদ্ধভাবে মুখভর্তি পান
চিবোতে চিবোতে বললো। শিরিন
খালার যত্ন আর আমার পরীক্ষার পড়া এই মিলে দিন পার হচ্ছে।
মাঝে মাঝে খালা আমাকে আমাদের
বসার রুমের বড়
টিভিটা একা দেখতো আর বলতো – ও
বাবা রনি সারা দিন-রাইত
কি খালি পড়বা ? আসো একটু টিভি দেখো, বইসা। আমি আমার রুম
থেকে এসে বসলে খালা জিগ্যেস
করে কি খাইবা বাবা কিছু না। একটু
পরেই তো রাতের খাবার খাবো। উঁহু
দাড়াও আমি তোমার লাইগ্য হরলিক্স
বানাইয়্যা আনতাছি।–আমি জানি, আমি না বললেও
খালা বানিয়ে আনবেন। কাজেই
আমি বললাম খালা তোমার জন্যও
আনবা কিন্তু আর
নাইলে আমি খাবো না। আচ্ছা। একটু
পরে খালা আমার জন্য বিশাল জাম্বো কাপে আর খালার জন্য তার
নির্দিষ্ট করা চায়ের কাপেই
(খালাই পছন্দ করেছেন) হরলিক্স
নিয়ে এলেন।বড় সোফায় আমার
পাশে বসে আমার আমার মাথার
চুলে হাত বুলিয়ে আমাকে হরলিক্সের কাপটা ধরিয়ে বললেন খাও বাবা,
যে পরিশ্রম এই পড়াশোনার
মধ্যে বুঝলা বাবা বিয়া করা বেডাই
নেরও অত পরিশ্রম হয় না।
বিয়া করা বেটাদের পরিশ্রম হয়
মানে-আমি অবাক হয়ে জিগ্যেস করলাম। হেগো পরিশ্রম হয়
না মানে!
একেতো বাইরে করে পরিশ্রম
পয়সা কামানোর লাইগ্যা আর
ভিতরে করে পরিশ্রম বৌ এর
লাইগ্যা। আমি আবার একটু অবাক হলাম বউ এর জন্য মানে?
খালা এবার শরীর কাপিয়ে খিল
খিল করে হেসে বলোল-
ইসিরে এক্কবারে যেমুন কিচ্ছু
বুঝনা, যুয়ান পুরুষ-মাইয়া এক
হইলে কি করে।? এক্কেরে ঘাম ছুইট্ট্যা যায়। এবার
আমি বুজতে পারলাম
খালা আসলে নারীপুরুষের সেক্স এর
কথাই বলছে। আসলে সেক্স এর
ব্যাপারে বরাবরই আমার
অজ্ঞতা ছিল, এর কারন আমি কখনো কো-এডুকেশান এ
পড়ি নি। যে কারনে সব সময়
ছেলে বন্ধুদের সাথে থাকার
কারনে, মেয়েদের
কে নিয়ে বা মেয়েলি ব্যাপার,
বিয়ে ও যৌন কথাবার্তা কমই হত। কিন্তু আমার প্রশ্ন ঘাম ছুটবে কেন।
আবার আমার মনে হল ছুটারই কথা।
একবার বন্ধুদের
সাথে আলাপে আলাপে আমার এক বন্ধু
শিখিয়েছিল কিভাবে হস্তমৈথুন
করতে হয়। আমি চোখ বন্দ করে মনিষা কৈরালার শরীর
কল্পনা করে আমার অঙ্গে হাত
মেরেছিলাম, আমার অঙ্গ লোহার মত
শক্ত হয়েছিল কিন্তু বন্ধুর ভাষ্য
অনুযায়ী বীর্যপাতের কোন লক্ষন
দেখা যায়নি। পরে হাতে অলিভ অয়েল নিয়ে চালিয়েছিলাম তাতেও
কিছু হয় নি, তখন বিরক্ত হয়ে বাদ
দিয়েছিলাম।এর পরে আর হস্তমৈথুন
করার চেষ্টা করিনি।আর সেখান
থেকে ধারনা হয়েছে হয়তো সেক্স
করাটা খুব পরিশ্রমের। এখন খালার কথা শুনে মনে হচ্ছে, হ্যা এরকম
হতেও পারে। খালার
কথা শুনে আমার শরীর এ
একটা শিহরন এর মত তৈরি হলো।
সেই সাথে আমার আন্ডার ওয়ার
ফ্রি ট্রাউজার হওয়ার কারনে আমার ধোন বেশ শক্ত হয়ে গেলো।
আমি হরলিক্স এর বোতলে একবার চুমু
দিচ্ছি আবার খালার
দিকে তাকাচ্ছি। একবার দেখলাম
আমার খালার চোখ আমার
ট্রাউজারের দিকে, আমি দ্রুত এক পায়ের ঊপর আরেক
পা তুলে তা ঢাকতে চেষ্টা করলাম,
কিন্তু যা দেখার তা শিরিন
খালা দেখে ফেলেছে। তার
মুখে একটা মুচকি হাসি দেখতে
পারলাম। রাতে ক্ষেতে বসে খালাকে একটু
অন্য নজরে দেখলাম। শিরিন খালার
উচ্চতা হবে পাঁচ ফুট তিন ইঞ্চির
মত। বয়স অনুমান আটত্রিশ
থেকে চল্লিশএর ভেতর হবে। একটু
মোটা ধাচের গ্রামের মহিলারা সাধারনত যেরকম হয়।
দারুন ফর্সা আমার এই শিরিন
খালা। ঢাকাতে এই কয়েকদিন
থাকার কারনেই
কিনা আরো ফর্সা লাগছে। মাথার
চুল কোমর পর্যন্ত পরে। চুলগুলো আধাভাঙ্গা কোকড়া। সুন্দর
পানপাতার আকৃতির মুখের মধ্য বড়
বাকা ভুরু, বড় সুন্দর পটল চোখ আর
সেই সাথে সুন্দর টিকোলো নাক।
ফ্রিজের নিচের ডালাটা খোলার
সময় শারীর আচল অনেকটা নীচে নেমে যাওয়াতে
দেখলাম খালার বুক দুইটা বিশাল
বড়, কিন্তু অল্প বয়েসী মেয়েদের মত
এত চোখা খাড়া না। পেটের
সাথে মেশানো।
আসলে খালাকে আমি এর আগে এভাবে কখনো দেখিনি।
পরেরদিন শুক্রবার । আমার কলেজ
বন্ধ। তাই অনেকটা রিলাক্স
হয়ে বাসায়
নাস্তা খেয়ে পড়ছিলাম। বারোটার
দিকে খালা হাক দিলেন- রনি বাবা গোসল করবা না, শুক্রবার
তো জুম্মার নামাজ পড়ন লাগবো।
আমি অনিচ্ছা সত্ত্বেও বারান্দায়
গিয়ে গায়ের টি শার্ট টি খুলে একটু
রোদ মাখানোর জন্য দাড়ালাম।
পিছনে দেখলাম শিরিন খালাও আসছে আমার এই কয়দিনের ব্যাবহার
করা প্যান্ট শার্ট
ধুয়ে তারে টাঙ্গিয়ে দেওয়ার জন্য।
আসলে শিরিন খালা এসেছে পরে এই
প্রথম শুক্রবার
হওয়াতে আমরা সারাদিন একসাথে। এর আগে সেই ভোর বেলায়
আমি উঠে আটটার
আগে ক্লাসে যেতে হবে তাই খুব
সকালে গোসল সেড়ে ফেলতাম।
আমি যখন তারে আমার টি শার্ট
ঝুলিয়ে রাখছিলাম। আমার খালা ততক্ষনে পাশে এসে তারে অন্য
কাপড় রাখার সময় আমার
বগলে অনেক দিনের না কাটা লোম
দেখে বললেন
বগলে এইগুলা কি ধানক্ষেত বানাইছ
নাকি, কাটনা ক্যান ? মুসুলমান মানেই দায়েমী সুন্নত পালন
করা লাগে। এইটা জানো। আমি একটু
লজ্জা পেলাম- পরীক্ষার
পড়াতো খালা সময় পাই না।
খালা চলে গেলেন প্রায় পনের
মিনিট পরে আমারে ডাক দিলে রনি বাথরুমে আসো।
আমি গেলাম দেখি খালার সরার
নাম নাই। কাপড় ধুতে ধুতে খালার
পেটিকোট আর নীচের
শাড়ী ফর্সা পায়ের
সাথে ভিজে লেপ্টে আছে। আমি যেতেই আমাকে বলল হাত তুল-
আমি হাত তুলতেই
দেখি খালা শিয়ালকোটের ছোট
কাছি(সম্ভবত বাবার সেভিং কীটস
থেকে আনা) দিয়ে আমার বগলের চুল
ছাটতে শুরু করে দিয়েছেন। আমাকে বললেন- নইড় না,
এইগুলা শেভ কোইরোনা কোন সময়,
কেঞ্চি দিয়া ছাইট্ট্যা রাখবা।
শেভ করলে চুলকাইব। আর বগলে এত
গন্ধ করে কেন?-বলেই খালা তার
নাক একদম আমার ডান বগলে ঘষে দিল। আমি শিরশির এর
কারনে হেসে ফেললাম। এবার
খালা আমার বাম বগল ধরলো।
আমি বললাম -খালা তুমিও কি এরকম
ছাট? আমার কথা বাদ দেও,
আমি বুইড়া বেডি, আমার আর বিয়া সাদি হইবো না। কিন্তু
তুমরা যোয়ান
পোলা তুমরা থাকবা পরিষ্কার,
পরিচ্ছন্ন। খালার মুখ থেকে খুব
সুব্দর একটা জর্দা মিশ্রিত পানের
গন্ধ পাচ্ছি, এটা আমার কাছে খারাপ লাগে না।
খালা কি বলো!!, তুমি এখনো কত
সুন্দর? তুমি যদি সালোয়ার কামিজ
পড় না যে কেও
তোমাকে দেখলে পচিশ বছরের
মেয়ে বলবে। হইছে থাক, আর খালারে পটাইতে হইবো না।- আমার
বগল সাফ
করা হলে খালা আমাকে গোসল
করে নিতে বলল। খালা তার হাতের
উপর পরা আমার বগলের লোমগুলো ফু
দিয়ে কমোট এর ভেতর ঝেড়ে ফেলে দিল।আমি গোসল
সেড়ে নামাজের জন্য মসজিদের
দিকে পা বাড়ালাম। নামাজ
শেষে এসে দেখি খালা তখনো কাপড়
ধুচ্ছে। কিন্তু ততক্ষনে খালা তার
গায়ের খয়েরী ব্লাঊজ টা খুলে ফেলেছেন। আমি খালার
বাম পাশ দাড়ানোয় খালার বাম
বাহু কাধ পর্যন্ত সম্পুর্ন উম্নুক্ত
দেখলাম। মাগো কি ফর্সা আর মসৃন
খালার উর্ধ বাহু।আহা যদি একটু
ঠোট ছোয়াতে পারতাম। আমি মুগ্ধ হয়ে দেখছিলাম। -কি ভাত
খাইবা অহন? আমার এইরকম
হা হয়ে তাকে দেখতে থাকা নজর
এড়ালো না খালার, আমাকে বলল –
কি দেখতাছ এমুন কইরা মনে হয়
আমারে গিল্ল্যা খাইবা। আমি লজ্জ্যা পেয়ে গেলাম, দ্রুত
বললাম “না না।
খালা একটা জিনিস আমার মাথায়
আইছে।“ কি তোমার মাথায়
আইলো রনি বাবা। আমার মত
বুড়ীরে নিয়া। এখন বলবো না খালা খাওয়ার
সময়ে বলবো। আইচ্ছা তাইলে একটু
দাড়াও বাবা, আমি গোসলডা ঝটপট
সাইরা লই। শিরিন খালা গোসলের
পর মাথায়
একটা গামছা বেধে বেরিয়ে এসেছেন। শাড়ী পরেছেন
একটা নরমাল প্রিন্টের,
শাড়ীটাতে নীল আর ডীপ সবুজের
জংলী প্রিন্ট আর সেইসাথে নীল
বয়েলের ব্লাউজ। ফর্সা শিরিন
খালাকে দারুন লাগছে, অনেকটা এক দুজে কে লিয়ে ও বিখ্যাত কুলী ছবির
নায়িকা রতি অগ্নিহোত্রীর মত।
মনে হয় গ্রামের সব মহিলারাই
একইরকম হয়। যেমন খালা ব্লাউজের
নীচে ব্রেসিয়ার
পরেনি আমি শতভাগ নিশ্চিত। যে কারনে খালার অতি বড় বড় স্তন
ভার সামলাতে না পেরে নীচের
দিকে অনেকটা নেমে গেছে।
তারপরেও সামনের দিকে যতটা উচু
হয়ে আছে শাড়ীর ভেতর
থেকে তাতে বোঝা যায় কি বিশাল খালার বুক। খালা ডাইনিং টেবিল
এর দিকে মুখ করে দরজার
দিকে গিয়ে গামছাটা খুলে দুহাত
পিছিনে নিয়ে গামছাটাকে লাঠির
মত সোজা করে পিছনের
চুলে বাড়ী দিয়ে পানি ঝরাতে লাগলো। আর সে কি বুকের
দুলুনী মনে হছে যেন দুটো বড় বড়
লম্বা পেঁপে খালার ব্লাঊজের ভেতর
দুলছে। খালা গামছাটা বারান্দায়
তারের উপর দিয়ে চুল
খোপা করে ডাইনিং এর কাছে আস্তেই আমি বললাম
খালা মুখে কিছু মাখলানা?
আমি এইতান কিছু লাগাই না।
আমি উঠে গিয়ে আমার রুমের
থেকে নিভিয়া মিল্ক
টা নিয়ে এসে আমার হাতে চাপ দিয়ে নিয়ে খালার হাতে দিলাম “
এই গুলা লাগাও এইটা শীত গরম সব
সময় লাগানো যায়।“ খালা তার
হাতের টুকু তার
মুখে মাখতে লাগলো। খালার শরীর
থেকে আমাদের বাথ রুমে রাখা কেমি সাবানের সুন্দর
একটা হালকা ঘ্রান আসতে লাগলো।
আমি আমার হাতের নিভিয়া টুকু
নিয়ে দ্বিধা করছিলাম কি করবো।
সাহস করে খালার
ঘাড়ে লাগিয়ে দিলাম। দেখলাম খালা একটু কেপে উঠলো কিন্তু কিছুই
বলেন না। খালা এখনো তার
মুখে নিজের হাত
টা ঘষাঘষি করছিলেন।
আমি পিছনে এসে খালার পিঠের
যতটুকে উন্মুক্ত ছিল তাতে ও মাখতে লাগলাম। খালা দেখলাম
তার বুকটা সামনের
দিকে চিতিয়ে দিয়ে ব্লাউজের
পিছনের দিক্টা ফাঁক করতে চাইছেন
যেন আমার হাত আরো একটু
ভিতরে যেতে পারে। আমি আমার হাতের আঙ্গুল ঢুকিয়ে যতটুকু
পারি নিয়ে গেলাম ও
ডলতে থাকলাম মার্বেল টাইলসের
মত মসৃন খালার পিঠ। শেষে হাত
বের করে আবার লোশান
নিয়ে খালার দুই হাতের কব্জির উপর থেকে ব্লাউজের হাতা পর্যন্ত
লোশান মাখলাম।খালার
পুরো শরীরটা যেন তুলতুলে নরম
একটা বালিশ। খালা যেন অন্যরকম
একটা আবেশী মজার মধ্যে ছিলেন।
আমি আরো কিছু পাওয়ার আশায় বললাম -“কমরে লাগাবো?” -
না লাগতো না, দেখমুনে খালার যত্ন
কতদিন থাকে। খালার
রান্না অপুর্ব, সময়েতে আমার
মায়ের চেয়েও অনেক ভালো। এই
যেমন আজকে খালা ফ্রিজের থেকে বের করে কই মাছ
বরবটি দিয়ে এত সুন্দর
করে ভেজেছে। অমৃত। বাড়ীর
বিভিন্ন বিষয়ে খালা অনেকটা বক
বক করে যেতে লাগলেন। আমি টের
পাচ্ছিলাম একটু আগে খালার ঘাড়, হাত ও বাহু স্পর্শ করার
কারনে আমার অর্ধ উত্থিত পুরুষাঙ্গ
এখন নিস্তেজ হয়ে যাওয়ার
কারনে স্মৃতি স্বরুপ আমার অঙ্গের
মাথায় পিচ্ছিল পানি এসেছে। অহ
বাবা কি জানি কইবা, কইছিলা? কি তুমার মাথায় আইছে? বলবো!
তুমি রাগ করবানাতো? রাগের
কথা হইলে তো করবামই। নামাজ
থেকে এসে তোমার
খোলা হাতটা যখন দেখলাম না, তখন
কি মনে হইছে জানো। কি!?- খালা অনেকটা বিস্ময়
নিয়ে খাওয়া বন্ধ করে আমার
জিগ্যস করলেন।
তুমি যদি হাতা কাটা ব্লাউজ
পরতা না তাহলে খুব সুন্দর লাগতো।
খালা এবার হাসতে হাসতে বললেন- ইয়াল্লা বাজান
এইতা কিতা কও,আমারার লাগান
বুইড়া বেইট্ট্যান
রে এইতা পরলে বালা লাগবো নি।
কি যে বলো না খালা,
সুবর্না মুস্তাফা পরে, তুমি দেখ না কত সুন্দর লাগে।
হেরা তো পরবোই, ফিল্মের
নায়িকা না। আমি রোজ
দেখা আমাদের রাস্তার ওইপারের
চার তলার সেই মহিলার
কথা বলতে লাগলাম,- জানো খালা, আমাদের বাড়ীর বিপরীতে রাস্তার
ওই পাশে একটা পাঁচ
তলা বিল্ডিং দেখছ না। হেই
বিল্ডিং এর এক
মহিলা থাকে তোমার চেয়েও বয়েস
অনেক হবে। ফর্সা, মনে হয় হাসবেন্ড নাই, সব সময় সাদা কাপড়
আর সাদা হাতা কাটা ব্লাউজ পরে,
ভোর বেলায় বারান্দায়
দাড়ায়া ব্যায়াম করে, খুব সুন্দর
লাগে জানো। -ও বুজজি, ওই বেডিই
আমার ভাইগনার মাথা খাইতাছে। আইচ্ছা আমারে দেহাইওছেন । -
তাইলে কালকে ভোরেই
আমি তোমাকে দেখাবো এটা প্রায়
আরো এক সপ্তাহের পরের ঘটনা।
খালা মেনে নিয়েছেন,
তিনি হাতা কাটা ব্লাউজ পরবেন। কারন সেদিন
রাতগিয়ে ভোরে আমি এলার্ম
দিয়ে রেখেছিলাম।
উঠে বারান্দায় এসে যখন দেখলাম
সেই মহিলা ব্যায়াম করছেন,
আমি দ্রুত খালার রুমের( আমাদের গেস্ট বেড রুম)”খালা”
বলে দরজা ঠেলা দিতেই
দরজা খুলে গেলো। দেখলাম
খালা নামাজ পরছেন। মনে হয়
খালা লেট করে ফেলেছেন। কারন
এখন ছয়টা বেজে গেছে। চারিদিক বেশ ফরসা। আমি অপেক্ষায়
থাকলাম, সালাম ফেরানোর
সাথে সাথেই আমার দিকে তাকালো,
আমি আমার চোখ নাচিয়ে বললাম
দেখবে না? কিতা? ওইযে,ওই
মহিলা। খালা একটু মুচকি হাসি দিয়ে যায়নামাজ
গুটিয়ে আলানাতে রেখে আমার
পিছে পিছে বারান্দায় আসলেন।
আমরা বারান্দায়
না গিয়ে বারান্দার দরজার উপর
দাঁড়িয়ে দেখতে থাকলাম। যেন ঐ মহিলা আমাদের বারান্দায়
তাকালে আমাদেরকে দেখতে না
পারে। মহিলা এবার কোমরের
দুপাশে হাত রেখে শরীর ডান বাম
করছেন।বরাবরের মতই সেই
সাদা শাড়ী ও সাদা হাতা কাটা ব্লাঊজ,
ভেতরে সাদা ব্রা এর স্ট্র্যাপ
দেখা যাচ্ছে।সুন্দর ফর্সা শরীর।
বেশ কয়েক মোচড় দেওয়ার পর দুহাত
সোজা করে মাথার
উপরে নিয়ে স্ট্রেট সোজা করে সামনের দিকে কোমর
স্থির রেখে উর্ধাংগ নীচে মাটির
দিকে নিয়ে এলো। আর একারনেই
মাথার উপরে হাত তোলার সময়
মহিলার ধবধবে ফর্সা বগল বার
বার দেখা যাচ্ছে। মনে হয় উনি প্রতিদিনই সেভ করেন।
অনেকটা বেশী ফর্সার
কারনে সবুজাভ একটা আভা পরে তার
বগলে। এই মহিলা আমার কাছে এক
রহস্যময়ী চরিত্র
আমি কখনো তাকে নীচে দেখিনি। তার ফ্লোরে বা ওই বারান্দায়
কখনো অন্য কোন মানুষও দেখিনি।
অন্য সময় দেখি বারান্দাও
তিনি নিজে ঝাড় দেন। একা থাকেন
মনে হয়। আমার ঘাড়ের
পিছনে খালার গরম নিশ্বাস এসে লাগছে। মহিলাকে তন্ময়
হয়ে দেখাতে এতক্ষন খেয়াল
করিনি, আমার পিঠের ডান
পার্শে একটা নরম বালিশের মত।
পরক্ষনেই বুঝতে পারলাম
এটা খালার বুক।মাগো এত্তো নরম হয়!! কিন্তু আরাম টা নেওয়ার আগেই
খালা সরে গিয়ে বলল -হু
বুঝজি আমার তাইলে এইরহমের
ব্লাউজ পরনই লাগবো, এই বেডির
হাত থাইক্ক্যা আমার
ভাইগন্যা রে বাচানোর লাইগ্যা। তবে আর কক্ষনো তুমি এই
বেডিরে ভোর বেলায়
দেখতে আইতে পারবা না।এইবার
আহো পড়তে বস বাবা–খালা এবার
কিচেনের দিকে যেতে থাকলো।
খালা তুমি পড়, দেইখ্যো আমি বারান্দার এই দরজাই
বন্ধ করে দিব-
আমি হেসে হেসে মজা করে বললাম।
হইছে থাক বুড়ী খালার দিকে আর
নজড় দিও না, এইবার পড়তে বস বাপ,
আমি তুমার নাস্তা বানাই। সেদিনই বিকালে আমি খালার জন্য
নিউমার্কেট এর গুলজারে গিয়া তিন
কালার এর একটা মেরুন,
একটা নেভী ব্লু আর একটা বটল গ্রীন
কালার এর বেক্সী বয়েল
দিয়ে তিনটি হাতা কাটা ব্লাউজের অর্দার দিলাম। খালার ব্লাউজের
মাপ শুইন্যা মাষ্টার এর
ভিমরী খাওয়ার দশা।খালারে যখন
জিগ্যেস করেছিলাম খালা মাপ কত
দিব। খালা বলেছিল -বিয়াল্লিশ
দিবা মাগো এত বড়। এই মারমু একটা থাপ্পর, মা খালার বুক
লয়া লড়াচরা করো-বলেই খালার
খিল খিল হাসি। আমি যখন বের
হতে যাব তখন খালা আবার বলল এই
শুনো! শুনো বাবা,
দর্জিরে কইবা নীচে গিট্ট ফিতা দেয় যেন। আর
কইবা ব্লাউজের ছাট যেন
চোলি ছাট করে। চোলি ছাট!!
সেটা কি খালা? আমি একটু অবাক
হলাম। এইতা অহন তুমার
বুইজ্জ্যা লাভ নাই, অহন যাও। বিয়াল্লিশ এর কথা শুনে মাস্টার
যখন আমার দিকে তাকিয়ে ছিল তখন
আমি বল্লাম-নীচে গিট্ট
ফিতা দিবেন, আর চোলি ছাট হবে।
-বয়স্কা মহিলা?-
মনে হলো মাস্টার এর চোখ থেকে বাসনা লোলুপ
দৃষ্টি টা বিদায় হয়েছে।
উত্তরে আমি বললাম হ্যা। ব্লাউজ
গুলো যেদিন এনে দিলাম সেদিন ও
সেই সাথে আমি আমার সাপ্তাহিক
টার্ম পরীক্ষা নিয়ে ব্যাস্ত ছিলাম। আর এ তিন চারদিন
আমি লক্ষ্যই করিনি খালা ওই
ব্লাউজ পরেছেন কিনা। কিন্তু
যেদিন দেখলাম খালা পরেছে,
সেদিন আমি বুঝতেই পারিনি কখন
খালা পরল । রাতে পড়া শেষ করে, একটু
হাটা হাটি করবো বলে আমি লিভিং
রুমে এসে দেখলাম
খালা টিভি দেখছেন, চ্যানেল আই।
থ্রী সিটার এ হেলান দিয়ে শুয়ে।
আমি যেতেই খালা উঠে বসার চেষ্টা করতে লাগলো আর তখনই
খালার বুকের আচল ঠিক
করতে গিয়ে বাম কাধের উপর
থেকে শাড়ী সরে যাওয়াতে দেখলাম
খালা সেই মেজেন্টা কালার এর
হাতাকাটা ব্লাউজ টা পড়েছেন। আমার কাছে মনে হলো একরাশ
খয়েরি গাঁদা ফুলের মধ্য
থেকে খালার
ফর্সা হাতটা বেরিয়ে এসেছে।
কারন খালার শাড়ীটা ছিল
হালকা লাল ও খয়েরি কালার এর কম্বিনেশান ছাপ।
দেশী সুতি শাড়ী।
ওমা খালা তুমি হাতাকাটা ব্লাঊজ
পরছো।, কি সুন্দর লাগছে,
তুমি আমাকে বলনি কেন?-
আমি বিস্ময় এ আনন্দে, একসাথে বলে ফেললাম। এহ
তুমারে দেখাইয়া পিনতাম নাকি!
তাইলে তো আমারে গিল্ল্যা খাইতা।
খালার এই আদি রসাত্মক কথায়
আমার আবার কামদেব
খাড়া হয়ে গেলো। আমি ও সাহস করে বলে ফেললাম-
আইচ্ছ্যা খেতে হবে না খালা,
আপাতত আমারে অর্ধভোজ করতে দাও।
মানে?!! খালার চোখে বিস্ময়।
আমারে তোমার হাতে আমার
ঠোট,নাক, গাল ছোয়াইতে দেও, কারন কথায় আছে “
ঘ্রানে অধভোজ।“–
বলতে বলতে আমি সোফার পিছন
থেকে সামনে এসে একবারে খালার
উর্ধবাহু দুই হাতে ধরে খালার
পাশে বসে গেলাম। ধরবার সময় ডান হাতের সবগুলো আঙুলগুলো খালার
বাহুর নীচে দিয়ে নেওয়ার সময়
খালার স্তনের পার্শে গভীর ঘর্ষন
করে গেলো। খালা এইসব
আকস্মিকতায়-“এই!!”
বলে চাপা স্বরে একটা আর্ত চিৎকার করে উঠলো।
বাবা না এইসব করে না, এইটা ঠিক
না।–খালা আমার কাছ থেকে হাত
টা সরিয়ে নিতে চায়। বলেন-
তুমি না কইছ শুধু চাইয়া দেখবা।
অহন এইতা কিতা কর।! আমি হাত ধরে রেখেই আদুরে গলায় বলি- উঁহু
না…হ……খালা একটু
খালি স্পর্শ নিবো। বলেই
আমি খালার উর্ধবাহুতে মসৃণ
ত্বকে কনুই হতে নাক
ছোয়াতে লাগলাম। হালকা দুই তিনটা চুমু দিলাম।
খালা মনে হলো একটু কেঁপে উঠলো।
আহ কি মসৃন খালার স্কীন।
সুবর্না মুস্তাফার স্কীন ও মনে হয়
এত মসৃন না। আমি মুখটা এবার একটু
ছেড়ে দিয়ে আবার টিভির স্ক্রীনের দিকে তাকালাম। একটা এড
দেখে আবার খালার ঘাড়ের দিক
থেকে নীচের কনুই পর্যন্ত
নামতে থাকলাম। আমার
ঠেলা ধাক্কায়, খালার বুকের উপর
জমানো শাড়ীর আঁচল কয়েক সেকেন্ডের জন্য
সরে গিয়ে পরলো পেটের উপর।
গভীর খাদ দেখা যাচ্ছে খালার
ব্লাঊজের ভেতর মনে হচ্ছে খালার
স্তনের চাপে যে কোন
মুহুর্তে ব্লাউজের বিস্ফোরন ঘটতে পারে। খালা দ্রুত শাড়ীর
আঁচল তুলতে তুলতে আমার হাত উনার
বাম হাত দিয়ে সরিয়ে দিলেন। ।
আর ডান হাত দিয়ে বুকের আঁচল
দিয়ে বুক ঢাকলেন ।খালার
বগলটা দেখতে পেলাম ফর্সা! সুন্দর, মসৃন কিন্তু খালার বগল
মনে হয়, দ্যু সপ্তাহের মত কাটেন
নাই, সেই পরিমান খাটো খাটো লোম
। ছাড়ো এইবার বাবা, চলো অহন
খাইতে যাই।
আমি আবারো কাঁদো কাঁদো স্বরে বললাম।- না খালা আরেকটু। না !
অহন খাওন লাগবো।
তাইলে একটা শর্ত। কিতা? অবাক
খালা, চোখ গোল গোল খাওনের
পরে আবার তোমার
হাতটা দিতে হবে। অহ আল্লারে এইডা আমি কোন পোলার
পাল্লায় পরলাম, মাবুদ। -খালার
মুখে কপট রাগ মনে হলো। আইচ্ছা,
খাওনের পরে পইড়া লইবা, তার
পরে। আইচ্ছা।–বলেই আমি লাফ
দিয়ে খাওয়ার টেবিল এর দিকে যেতে থাকলাম। খালা এবার
দেখলাম
শারী দিয়ে পুরো উর্ধাঙ্গো ঢেকে
দিয়ে আমার পিছন পিছন
ডাইনিং এর দিকে আসতে লাগলেন।
আর একটা কথা বললেন।- উহ… বুজি একটা রাক্ষস
পোলা রাইক্ষ্যা গেছে।–
বলা বাহুল্য আমাদের এলাকায় বড়
বোন কে বুজি বলে। [যৌনতার ও
একটা সুন্দর পোশাক থাকা উচিৎ।
আমার কাছে সুন্দর একটা রুচিশীল যৌন গল্প সব সময়ই অনেক
বেশী আবেদনময়ী। সেই দৃষ্টিকোন
থেকে আমার এই গল্পটা লেখার
চেষ্টা। আরেকটি বিষয় দেখারও
ইচ্ছা সেটা হলো কিভাবে একটা গল্প
এক সাইটে পোস্ট করার পর অন্য সাইটে যায় এবং কতদুর তা বিস্তৃত
হতে পারে সেটা দেখা।এক ঝাক
মাছের ভিতর যেমন
একটুকরা খাওয়ার
দেওয়া হলে যেভাবে কাড়াকাড়ি
লাগে ঠিক তেমনই। আমার এই গল্প যে কেঊ যে কোন সাইটে পোস্ট
করতে পারবেন। তবে লেখকের
রেফারেন্স
দেওয়াটাকে সৌজন্যতা মনে করি।]
– জানভীরা খাওয়া দাওয়ার পর
আমি কিছুক্ষন পড়তে পারলাম কিন্তু মন খালি বার বার আমার শিরিন
খালার আকর্ষনে পড়া বাধাগ্রস্থ
হতে থাকলো। আমার শরীরে এক অন্য
ধরনের উত্তেজনা, বুক ঢিপ ঢিপ
করছে, শরীরটাকে খুব
বেশী হালকা মনে হতে থাকলো। আবার এদিকে ঘন্টাখানেক
আগে পুরুষাঙ্গ ঢাউস হয়ে দাড়ানোর
কারনে সেই যে তখন
থেকে পাতলা লালা পরছিল তার
রেশ এখনো আছে, কারন আমার এই
অঙ্গটি আর কখনো একেবারে নরম হয় নি। কোন না কোন ভাবে শিরিন
খালার শরীর কল্পনা করে সে অর্ধ
উত্থিত হয়েই আছে। রাত প্রায়
এগারোটা বেজে গেছে।নাহ আর
পড়া যায় না। আমি আমার রুম
থেকে বের হয়ে সোজা লিভিং রুমের দিকে গেলাম, উদ্দেশ্য শিরিন
খালাকে পাবো। কিন্তু
গিয়ে দেখলাম টিভি অন
করা আছে কিন্তু খালা সোফায় নেই
আমি খালার খোজে প্রথমেই খালার
রুমে টক টক করে টোকা দিয়ে ঠেলে দরজা খুলে
দেখলাম খালা নেই। আমি একটু
অবাক হলাম। বাথরুমের দরজার
দিকে তাকালাম, না ভেতরে কোন
লাইট এর চিহ্ন পরলো না।
Amateur Sex Videos|
Anal Sex Videos|
Anime Sex Videos|
Asian Sex Videos|
BBW Sex Videos|
Big Boobs Sex Videos|
Blonde Sex Videos|
Blowjob Sex Videos|
Brunette Sex Videos|
Celebrity Sex Videos|
Dildo/Toys Sex Videos|
Ebony Sex Videos|
Fetish Sex Videos|
Group Sex Videos|
Hardcore Sex Videos|
Hentai Sex Videos|
Interracial Sex Videos|
Latina Sex Videos|
Lesbian Sex Videos|
Mature Sex Videos|
Milf Sex Videos|
Porn Stars Sex Videos|
Softcore Sex Videos|
Teen Sex Videos|
Voyeur Sex Videos
Amateur Sex Videos Anal Sex Videos Anime Sex Videos Asian Sex Videos BBW Sex Videos Big Boobs Sex Videos Blonde Sex Videos Blowjob Sex Videos Brunette Sex Videos Celebrity Sex Videos Dildo/Toys Sex Videos Ebony Sex Videos Fetish Sex Videos Group Sex Videos Hardcore Sex Videos Hentai Sex Videos Interracial Sex Videos Latina Sex Videos Lesbian Sex Videos Mature Sex Videos Milf Sex Videos Porn Stars Sex Videos Softcore Sex Videos Teen Sex Videos Voyeur Sex Videos Indian Xxx video 3gp Sex Downloads Menu Very Young Wife RapE .3gp Teen Videos Tamil Actress School Girl 1st Time Aunty Katrina Kaif Mom And Son XXX Pakistani Free Play This Naughty American bhabi Poonam Fucked by Arjun Live MP4 updated MMS new Real Rape Muslim Hot Nurse Iranian Bleeding Village